#আমার প্রীভিয়াস লাইফ –
মামারা আমাকে দেখলে কেউ ওই রকম মানুষ ভাববে না. আমি নিতান্ত সাদাসিধে একজন মানুষ. খুব ছোটো বেলা থেকে মধ্যবিত্ত পরিবারে বড়ো হয়েছি. খুব নরমাল লাইফ লীড করেছি. যে পাড়ায় থাকতাম সেখানকার সবাই খুব মার্জিতো ও ভদ্র ছেলে বলে এ জানত আর লোককে আমার উদাহরন দিতো. কিন্তু আমার ভিতরে যে একটা কূতসিত মানসিকতা কাজ করতো তা কখনই আমি বাড়িতে বা আমার কাজে কর্মে প্রকাশ করতাম না. এমনকি কোনো দিন পাড়ার কোনো মেয়েদের দিকে তাকাতাম না. আড্ডা মারতাম না. উগ্রো বা বাজে ছেলেদের সাথে মিসতাম না. কোনো দিন স্কূল কামাই করি নি. কলেজ যূনিভার্সিটীতেও নয়.
আজ আমি বিবাহিতো. আমার ঘরে ফুটফুটে দুটি সন্তান রয়েছে. কিন্তু আমি আমার প্রীভিয়াস লাইফে যা করেছি আমি আজও অপোরাধ ফীল করি. ভনিতা বাদ দিয়ে শুরু করলাম মামা রা.
আমি তখন টগবগে কিশোর. মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে সব সময় ভিতর্কার রপূ গুলো. কখনো সজ্জো করতে পারি কখনো বা হাত মেরে খান্ত হই. সবার সামনে ভালো থাকার চেস্তা করি. এমন একটা ভাব করি যে ভাজা মাছটা উল্টে খেতে জানি না.
আমাদের গ্রামের বাড়ি থেকে একজন কাজের মেয়ে আনা হলো. বয়সে আমার চেয়ে কিছু বড়ো হবে. ভীষণ সুন্দর তার শরীরের গঠন. তাকিয়ে থাকার মত. কিছু বলি না. আমি তো লোক দেখানো ভদ্র. মেয়েটা থাকে আমাদের রান্না ঘরে. আমি যে রূমে থাকি তার মাঝখানে শুধু একটা স্পেস. তার পর রান্না ঘর. আমি রাতের বেলা ডেইলী ছট ফট করি, উঠে যাই. রান্না ঘরের কাছে যাই. দেখি শুয়ে আছে মেয়েটা. উল্টো পাল্টা ভঙ্গিতে. বুকের কিছুটা খোলা. পা দুভাজ হয়ে আছে. আমি উত্তেজিতো হই. কিন্তু সাহস হয় না. আবার গিয়ে শুয়ে থাকি. আবার উঠে আসি. কখনো ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পারি. মেয়েটিকে আমি খারাপ বলবো না. কারণ তার চালচলনে কখনো খারাপ ছিলো না. বা আচরণেও কখনো মনে হয় নি যে সে ওই রকম কিছু চাই যা আমি চাই. অমনি করতে করতে ৬ মাস পর হয়ে গেলো. বাবা মা গ্রামের বাড়ি যাবেন বলে ঠিক করলেন. শুধু আমার খাওয়ার অসুবিধা হবে ভেবে রেখে গেলেন মেয়েটিকে. আমার দিদি রয়েছে যে আমার থেকে বয়সে অনেক বড়ো. উনি তখন যূনিভার্র্সিটীতে পড়েন. প্রসংগতো উল্লেখ করছই আমরা দু ভাই বোন.
বাবা মা চলে গেলেন গ্রামের বাড়িতে. আমার দিদি একটু দূরে তার রূমে আর আমি ওই রাতে যথারিতি আবারও ছট ফট করছি আর রান্না ঘরের পাশে যাতায়াত করছি. অমনি এক সময় মেয়েটা ঘুম থেকে উঠে গেলো. আমি দৌড়ে পালাতে গেলাম. কিন্তু দৌড়ানো হলো না থেকে গেলাম.আস্তে আস্তে অপরাধ মন নিয়ে নিজের ঘরের দিকে চলে আসছিলাম. এমন সময় মেয়েটা জিজ্ঞেস করলো” আপনার কিছু লাগবো? কোনো অসুবিধা? আমারে বলেন না কেন. আমি কী উত্তর দেবো? আমি থমকে গেছি ধরা পড়ার ভয়ে. এই না ডাক দিয়ে আমার দিদি কে সব বলে দেই. আমি ঘামাচ্ছি. কান দিয়ে গরম ধুয়া বেড় হচ্ছে. আমি কী বলবো? কোনো উত্তর দিতে পারছি না.
বড়ো দিদি জেগে যেতে পারে. আমার সব লোক দেখানো ভালো মানুষ্য শেষ হয়ে যাবে. আমি আমতা আমতা করে মেয়েটিকে বললাম “জল খাবো?” অথচ জল রয়েছে খাবার টেবিলের উপর যা আমার সামনে. মেয়েটা বলল “আপনি রূমে জন আমি জল নিয়ে আসতেছি”. আমি সুবোধ বালকের মতো ঘরে চলে এলাম. মেয়েটা জল দিয়ে গেলো, আমি পুরো গ্লাস জল শেষ করে তার হাতে দিয়ে সুবোধ বালকের মতো শুয়ে পরলাম. সারা রাত ভয়ে ছট্ফট্ করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি বলতে পারবো না. সকালে ঘুম ভাঙ্গলো দেরিতে. দেখি দিদি যূনিভার্র্সিটী চলে গেছে. বাড়িতে শুধু আমি আর কাজের মেয়েটা. কিন্তু আর সাহস হচ্ছে না. আমি ভয় পেয়ে গেছি. কারণ আমি কাপুরুষ প্রকৃতির. আমার সাহস নেই তার সামণে মুখ ফুটে বলার যে আমি তোকে চাই. তোকে উপবোগ করতে চাই , আমার যৌবন জ্বালা মেটাতে চাই. কিন্তু এসব বলার মতো মানুষ আমি নই. ১২.৩০ টায় ক্লাস আমি স্কূলে চলে গেলাম. এর মধ্যে মেয়েটির সঙ্গে আর কোনো কথা আমি বলি নি. মেয়েটির চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলি নি. মাথা গুজে ব্রেকফাস্ট করেছি. তার পর হালকা খেয়ে স্কূল. মন নেই আমার ক্লাসে. শুধু ভয় কাজ করছে. না জানি কাওকে বলে দেই. না জানি দিদির কাছে নালিশ করে. না জানি বাবা আসলে নালিশ করে. কিংবা পাশের বাড়ির কোনো কাজের মেয়ের সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলে. তখন আমি আর কাওকে এই মুখ দেখাতে পারবো না. টিফিন পীরিযডে বাড়ি চলে আসলাম. ক্লাস আর করবো না. এসে দেখি দিদি বাড়িতে. আমার ভয়ে শুকিয়ে যাবার অবস্থা. দিদির রাগ দেখে আরও ভয় পেয়ে গেলাম. দেখলাম না আমার বিষয়ে কিছু নয়. বাড়িতে জল নেই, তাই দিদির মেজাজ খারাপ. আমি আমার ঘরে শুয়ে আছি. দিদি খেতে ডাকলো. খাবার সময় দিদি বলল উনি উনার ফ্রেংড্স এর বাড়ি যাবেন এবং সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসবেন. আমি জেনো বাড়ি থাকি. কারণ বাবা মা ফোন করতে পারেন.
আমি টীভী দেখছি আর শক্ত হয়ে বসে আছি. কিন্তু আমার ভিতর কার ওই রপূ গুলো কী আমাকে শান্তি দিচ্ছে? বার বার ওই মেয়ের রাতের শুয়ে থাকার ওই দৃষ্য গুলো মনে পরছে. মেয়েটিকে মাঝে মাঝে ডাকি এটা ওটা চাই. কখনো চানাচুর, কখনো চা এই সবই ভনিতা.
মামারা সত্যি কিছু বলতে গেলে এই সমস্ত হিস্টরী চলে আসে. কারণ আমি যা বলছি তার এক বর্ণও মিথ্যে নয়.
টীভী তে নাটক হচ্ছে তখন ন্যাশনাল ছাড়া কোনো চ্যানেল ছিলো না. হঠাত ফোনে বেজে উঠলো. বাবার গলা কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করলেন. মা কথা বললেন আমাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা সেসব জানতে চাইলেন. কাজের মেয়েটা ফোনের আওয়াজ পেয়ে দৌড়ে এসে আমায় বলল” মাসিমা ফোনে করেছে?
আমি: হ্যাঁ
মেয়েটা: জীগান না আমার বাবা মা কেমন আছে?
আমি: মা সুনিতার মা বাবা কেমন আছে জিজ্ঞেস করছে? মা জবাব দিলেন ভালো আছে.
আমি সুনিতাকে বললাম তোমার বাবা মা ভালো আছে. ও খুশি হয়ে আবার রান্না ঘরে চলে গেলো. উল্লেক্ষ্য যে কাজের মেয়েটির নাম ছিলো সুনিতা. বিকেল ৫ টা হবে আমার তন্দ্রা মতো এসে গেছিলো. টীভীর শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেলো.
” আমি চেয়ে দেখি সুনিতা সোফার কোনাই বসে টীভী দেখছে. আমি ভাবছি কিছু বলা উচিত? না কী আবার অন্য কিছু ভাববে. আবার ভাবছি না কিছু বলা দরকার নেই. যেভাবে আছে থাক. এই রকম ভাবছি, হঠাত সুনিতা বলল “দাদাবাবু আপনের রাইতে ঘুম কম হয়”
আমি: কেনো?
সুনিতা: না মনে মাঝে মাঝে দেহি আপনি হাঁটা হঁটি করতাছেন.
আমি: অবাক হয়ে ” তুই দেখিস”
সুনিতা: হ্যুঁ
আমি: আর কিছু দেখিস?
সুনিতা: আপনি মাঝে মাঝে রান্না ঘরের কাছে আইশা দাড়ায়া থাকেন, আবার চলে যান”
আমি: তুই তাও দেখেছিস? কাওকে বলিস না .”আমি ভয় পেয়ে গেলাম
সুনিতা: না কারে বলুম? আর কেন বলুম?
বলে উঠে চলে গেলো সুনিতা. আমি আবার ঘামাচ্ছি. কী সাংঘাতিক এই মেয়ে তো সব দেখে আর তো রাতে রান্না ঘরে পাশে যাওয়া যাবে না.
সুনিতা একটু পর এসে জিজ্ঞেস করলো ” আপনারে চা ডীমু”
আমি বললাম : দে
সুনিতা চা নিয়ে এলো. টী টেবিল সামনে নিয়ে আসার সময় ওর্না টা নীচে নেমে গেলো. আমি অবাক হয়ে দেখছি. কারণ এর আগে আমি কখনো এমন সাদা ব্রেস্ট দেখিনি. সুনিতার চোখে চোখ পড়তে সুনিতা নিজেকে ঠিক করে নিলো. চা দিয়ে চলে গেলো. একটু পর আবার আসলো
বলল” আপনার আর কিছু লাগবো দাদাবাবু? আমি কাপড় ধোবো. কোনো কিছু লাগলে আমারে বাথরুমে গিয়া ডাইকেন” আমি জানি না আমার মুখ দিয়ে কী বের হলো. স্পস্টও মনে আছে আমি বোলেছিলাম হয়তো কিছুটা আনমনে : যা চাই তা তো তুই দিবি না” খুব জোরে বলি নি.
সুনিতা অবাক হয়ে চেয়ে চলে গেলো. সন্ধ্যে হয়ে এলো. দিদিরো তো চলে আসার কথা. কিন্তু আসছে না কেনো? আমি পড়তে বসলাম. পড়া কী আর হয়. মাথায় যতো সব আজগুবি চিন্তা আসছে.. তবু রেজ়াল্ট ভালো করতে তো হবে. সামনে পরীক্ষা. আমি তো লোক দেখানো ভালো ছেলে. লোকেরা রেজ়াল্ট দেখে. অথএব আমাকে রেজ়াল্ট ভালো করতেই হবে. আমি পরছি এমন সময় দিদি চলে এলো. এই রাতে আর আমি ঘর থেকে বের হলাম না. নিজেকে বন্দি করে রাকলাম. জোড় করে ঘুমিয়ে পরলাম. যথা রিতি ব্রেকফাস্ট খেয়ে স্কূলে চলে গেলাম. স্কূলে গিয়ে দেখি ক্লাস হবে না. আজ আমাদের একজন টীচরের এর বার্থডে অনুষ্ঠান. আমি এসবে কখনো এটেংড করতাম না. আমি বাড়ি চলে এলাম. টীভী দেখছি আর আমার কিছু মাছ আছে সেগুলো নিয়ে বিজ়ী আছি. এমন সময় সুনিতা বলল ” দাদাবাবু একটু কস্ট করতে হইবো”
আমি: কী?
সুনিতা: গ্যাসের চুলা টা জলে না. একটু দেইখা জান.
আমি : যা আসছি
আমি গেলাম দেখলাম সত্যি জ্বলছে না. কী যেন হয়েছে. আমি মোরের দোকান থেকে একজন মিস্ত্রী ডেকে এনে চুলা ঠিক করালাম. রান্না শেষ হলে খাওয়ার জন্য ডাকলো সুনিতা. আমি খেলাম. মাঝে মাঝে আর চোখে দেখি সুনিতা ঘর ঝারু দিচ্ছে. খেয়াল করি ওর পুরুষু পাছা. হাতের গড়ন. আর নিজে নিজে উত্তেজিতো হই. হাত মারার জন্য পাগল হয়ে যাই. কিন্তু আমি নিজেকে কংট্রোল করার চেস্তা করি. কারণ শুনেছি হাত মারা নাকি ভালো না.
বোরিংগ লাগছে তাই না মামূ রা. এখনো কোনো রসের সাদ পেলেন না এই ভেবে তাই না. হয়তো মনে মনে বলছেন বেটা চটি লিখছে না উপন্নাস ??
” দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে একটু ঘুমবো বলে বিছানায় গেলাম. চোখটা লেগেও আসছে . পায়ের হালকা শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেলো. দেখি ঘর ঝারু দিচ্ছে সুনিতা. আমি পাস ফিরে শুয়ে ঘুমের ভান করে পরে রইলাম. আবার দেখছি সুনিতার লুকানো যায়গা গুলো. কখনো হাতের নীচ দিয়ে হালকা করে ব্রেস্ট দেখা যাচ্ছে. চমতকার সাইজ়, কখনো পাছা দেখছি. গঠন দেখে ভিতরে ভিতরে উত্তেজিত হচ্ছি. ঘর ঝারু দিয়ে চলে গেলো সুনিতা. আমি অস্তির হয়ে আছি. কী করবো এভাবে তো চলে না. এত বড় সুযোগ কী করে হাত ছাড়া করি. বাবা মা নেই. মনে মনে ভাবছি আর ফন্দি আঁটছি. কী করে নিজের মনের এই বাসনা পুরণ করবো. কথা বলে ফ্রী হতে হবে সুনিতার সাথে. তার পর মনের ইচ্ছেটা ভদ্র ভাবে প্রকাশ করে নিজের বাসনা মেটাবো.
উঠে চলে গেলাম টীভীর রূমে. আমি ডকলাম সুনিতা কে.
আমি: সুনিতাআআআআআঅ!!!
সুনিতা: কি দাদাবাবু.
আমি: কাজ শেষ হয়েছে?
সুনিতা: কেন?
আমি: একটু চা করে দিবি?
সুনিতা: কাজ শেষ. আমি চা কইরা. দিতাছি.
ফোনে বেজে উঠলো. দিদি ফোনে করেছে ফিরতে সন্ধ্যা হবে বলল. লাইব্ররী ওয়ার্ক করে তার পর ফিরবে.
দাদাবাবু চা সুনিতা চা দিয়ে সোফার পাশে বসে টীভী দেখতে লাগলো. আমি ভাবছি কী করে শুরু করবো কথা. কী দিয়ে শুরু করবো? আর ভিতরে ভিতরে উত্তেজিতো হচ্ছি. এক সময় সাহস নিয়ে কাপুরসচিত ভাবে শুরু করলাম.
আমি: সুনিতা তুই কতো দূর পড়াশুনা করেছিস রে?
সুনিতা: ক্লাস টু তার পর আর স্কূলে যাই নাই, বাবা আর পরাইতে পাড়লো না.
আমি: তাই?
তার পর অনেকখন চুপ চাপ কোনো কথা নেই. হঠাত সুনিতা মুখ খুল্লো
সুনিতা: আচ্ছা আপনার রাইতে ঘুম হয় না কেন? অনেক দিন দেখছি আপনি রাইতে হাঁটা হাঁটি করেন
আমি: তুই দেখেছিস বলিস না কাওকে. ঠিক আছে সুনিতা? আর তুই বুঝবি না এসব.
সুনিতা: আমি বুঝি.
বলে মাথা নিচু করে রইলো. আমি সাহস পেলাম. আর একটু সাহস নিয়ে বললাম কী বুঝিস?
সুনিতা কোনো জবাব দিলো না.
আমি: সুনিতা আমি তোকে কয়েকটা কথা বলবো কিন্তু কথা দিতে হবে কাওকে বলতে পারবি না.
সুনিতা: কী কথা?
আমি: তুই আগে বল কাওকে বলবি না?
সুনিতা: মাটিতে বইসা কইলাম কাওড়ে কোমু না. আপনি কন.
আমি: সুনিতা রোজ রাতে আমি তোকে দেখতে যাই. তুই শুয়ে থাকিস ওটা আমি দেখি. আমার ভালো লাগে. সুনিতা কাওকে বলিস না
সুনিতা: আমি জানি আপনি আমারে দেখেন. ঐটা আমিও খেয়াল করছি. ডরাইন না আমি মইরা গেলেও কাওরে কোমু না.
আমি: তুই জানিস তাইলে অতদিন আমাকে বলিস নাই কেন?
সুনিতা: কী কোমু. আপনি তো শুধু দেইখা চইলা জান. কিছু তো আর করেন না
আমি: যদি কিছু করতাম তাইলে কী সবারে বলতি.
সুনিতা: তা জানি না. তা আপনি যা কইতে চাইতেছেন এই সব কাম করণ ভালা না. আমি হুঁ.
আমি: সুনিতা শোন?
আমি আমার কূতিশিত বালমনসিকতা দিয়ে শুরু করলাম যুক্তি দেখানো.
আমি: সুনিতা তুই আর আমি যদি রাজী থাকি তাইলে এই সব কোনো ব্যাপার না. কারণ তুই আর আমি একি. তুই ও আমাকে জোড় করছিস না, আমিও তোকে জোড় করছি না. অতএব খারাপ এর প্রশ্ন আসে না.
সুনিতা: না আমি শুনছি এই সব বিয়ার আগে করণ ভালা না.
আমি: দেখ সুনিতা বিয়ের আগে পরে নেই. তর যদি ইচ্ছা হয় তাহলে আমি তোর সাথে এই কাজটা করব নয়তো আর কোনো দিন এসব ব্যাপারে তোকে আর কোনদিন কিছু বলবো না. আর তুই ও দয়া করে কাওকে এই সব ব্যাপারে কিছু বলিস না. আর যদি ইচ্ছা থাকে তো আমাকে বলিস. না বলতে পারলে আমাকে শুধু ইসারা করিস. কিন্তু কোনদিন কাওকে কিছু বলিস না.
সুনিতা : না কোনো দিন কাওরে বলুম না
এই বলে সুনিতা উঠে চলে গেলো. আমি আবার হতাসায় পরে গেলাম. না হলো না. রাজী করাতে পারলাম না সুনিতাকে. গ্রামের সহজ সরল মেয়ে জানে এই সব বিয়ের আগে করা ভালো না. থাক কী আর করা যাবে. আমিও চুপ চাপ বসে রইলাম. বিকেল প্রায় ৫টা বেজে গেছে. ভীষণ বাতরূম এর বেগ চেপেছে. আমি বাথরূমে গেলাম. একবার হাত মারার সখ হলো তবু নিজেকে কংট্রোল করে নিলাম. টীভী রূমে একটা ম্যাগজ়ীন নিয়ে বসলাম. সুনিতা আবার সোফার কাছে এসে বসলো. টীভী দেখছে. আমি আমার পলিটিক্স শুরু করলাম. আমি তার দিকে তাকাচ্ছিই না. পুরো এভইড. কিন্তু খেয়াল করছি সুনিতা মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকাচ্ছে.
হঠাত সুনিতা বলতে শুরু করলো কিন্তু অন্য প্রসঙ্গো নিয়ে.
সুনিতা: আচ্ছা আপনি বাইরে জন না. মাঠে যান না. সারাদিন দিন বাড়ি বইসা আপনার ভালো লাগে?
আমি: না বাইরে ঘুরতে ভালো লাগে না. আমি বাড়ি থাকতে পছন্দ করি.
আবার চুপ চাপ. আমি ম্যাগজ়ীন পরছি সুনিতা টীভী দেখছে.
সুনিতা: দাদাবাবু আর এক কাপ চা ডীমু?
আমি: দে
চা নিয়ে এলো সুনিতা. চা দিয়ে এবার আমার আর একটু কাছে বসলো.
আচমকা সব কিছু উলট পালট করে দিলো সুনিতা.
সুনিতা: আচ্ছা এই সব কেমনে করে?
আমি: হতবাক হয়ে ” কোন সব”?
সুনিতা: লাজুক হয়ে ওই যে আপনি কইলেন
আমি:তুই করবি এসব?
সুনিতা: না থাউক.
আমি: তাহলে জিজ্ঞেস করলি কেন?
সুনিতা: এমনেই?
আমি: না দেখ সুনিতা তোর যদি ইচ্ছে হয় তো বল. আমি রেডী আছি.
সুনিতা: ইচ্ছা করে.
আমি হতবাক. আমার ভালমানুষ্য তা তাহলে কাজে লেগেছে.
আমি: কাছে আয়
সুনিতা: আইসি তো.
আমি: আর একটু কাছে আয়.
#রবিনবাবু #বাংলাচটিগল্প #everyoneactive #StarsEverywhere Robin Babu #followers #highlights অনেকটা কাপা কাপা ভাবে সুনিতা কাছে এলো. আমি তাকে ধরে সোফায় বসিয়ে দিলাম. তার পর আসতে করে কাছে টেনে নিলাম. জড়িয়ে ধরলাম. আমিও কাঁপছি তবে খুব হালকা. সুনিতা একদম লেপেটে আছে আমার সঙ্গে. আমি তার হাত টা ধরে আমার যন্ত্রটির উপর রাখলাম. ভীষণ ভাবে দাড়িয়ে আছে সেটা. সুনিতা হালকা করে ধরে রাখলো. আমার চোখের দিকে তাকাতে পারছে না. আমিও যে ঠিক মতো তাকে দেখতে পারছি তাও না. সত্যি কথা বলতে কী এই প্রথম কোনো মেয়েকে এই রকম ভাবে কাছে পেয়েছি.
আমি সুনিতার ব্রেস্ট হাত রাখলাম , আরেকবার কেঁপে উঠলো সুনিতা. আমি ফিশ ফিশ করে বললাম সুনিতা কাপড় খুলতে হবে. সুনিতা আল্ত করে জবাব দিলো” আপনি খুউলা নেন”. সুনিতা চোখ বুজে আছে আর একটা একটা করে আমি তার কাপড় খুলছি. সোফায় সূইয়ে দিলাম সুনিতা কে. তার পর হালকা করে কামিজ টা খুলে নিলাম. লজ্জায় একদম কাছু মাছু হয়ে আছে সুনিতা. আমি অবাক চোখে তাকিয়ে দেখছি সুনিতার সুন্দোর সাইজ়ের ব্রেস্ট দুটো. নিপেলগুলো বাদামী. পাইজামাটা না খুলে ব্রেস্টে চুমু খেলাম. লজেন্সের মতন চুস্তে থকলাম নিপেল দুটো. হালকা করে টিপে যাচ্ছি. আমি এই সবের কিছুই জানি না কিন্তু কী করে যেন সব করতে পারছি আমি. সুনিতার নিশ্বাস গরম হয়ে উঠছে. দ্রুত নিশ্বাস ফেলছে সুনিতা. আমারও ঠিক একি অবস্থা. কোনো কোওপারেট করছে না কিন্তু কোনো বাধাও দিচ্ছে না. হয়তো লজ্জায়.
ব্রেস্টের খেলা শেষ করে এবার পাইজামার দিকে এগোলাম. আস্তে করে গীটটা খুলে নীচে নামিয়ে দিলাম. আমার চোখের সামনে তখন আমার অচেনা স্বপ্নের জগত. হালকা প্যূবিক হেয়ার মাঝখানে ছেচা. কাছু মুছু হয়ে আছে সুনিতা. চোখ পুরো বন্ধ করে রেখেছে. আমি ওখানে একটা চুমু খেলাম. ইস একটা শব্দও করে উঠলো সুনিতা. আর সজ্জো করার শক্তি আমার নেই. আমি আর পারছি না. নিজের প্যান্টটা এক টানে খুলে ফেলে দিলাম. হালকা বুঝতে পারলাম সুনিতা আর চোখে আমার মাঝারি গড়নের ডান্ডাটা দেখে নিলো.
আমি চলে গেলাম সুনিতার পায়ের কাছে. দু পা উচু করে নিজের ডান্ডাটি সুনিতার যোনি বরাবর নীলাম. হাত দিয়ে দেখলাম সুনিতার যোনি ভিজে চুপ চুপ হয়ে আছে. আমি আমার ডান্ডাটির মাথা সুনিতার যোনি বরাবর নিয়ে হালকা চাপ দিলাম. সুনিতা কুকিয়ে উঠলো. বলল” ব্যাথা পাই” আমি কোনো অমল দিলাম না শুধু বললাম পাবি না. আর একটু চাপ দিলাম. সুনিতা আরও কুকিয়ে উঠলো” ব্যাথা পাইতেছি”
আমি: তাহলে কী বাদ দেবো সুনিতা?
সুনিতা : না করেন
আমি উত্সাহ পেয়ে আর একটু জোরে চাপ দিলাম, ব্যাস ঢুকে গেলো পুরো ডান্ডাটা. আমি অবাক হয়ে ফীল করছি. এটা কী ? আমি এত দিন এই স্বাদ থেকে কী করে বঞ্চিত ছিলাম? আর দেরি না করে শুরু করলাম অবৈধ সেইসব খেলা. যা খেলতে চেয়েছি বহু বার. এবার সোজা হয়ে সুনিতার উপর শুয়ে বার বাড় ডান্ডাটা ঢুকাচ্ছি আর বেড় করছি. অদ্বুত আনন্দ হচ্ছে. আমি আনন্দের জোয়ারে ভাসছি. সুনিতা দুই হাত দিয়ে এবার আমাকে জড়িয়ে ধরলো. আমি ফিশ ফিশ করে জিজ্ঞেস করলাম” ব্যাথা পাচ্ছিস” সুনিতা বলল:না আপনি করেন.
আমি প্রায় ১০ মিনিটের মতো ঐরকম চালিয়ে গেলাম. সুনিতা আমাকে ধরে আছে. হঠাত সুনিতা আমাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরলো আলতো করে বলল” আরও একটু জোরে করেন” আমি উত্সাহ পেয়ে আরও জোরে চালিয়ে গেলাম ২ মিংট পর সুনিতা আমাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরলো. আমি বুঝতে পারছিলাম না তখন কেনো এমন করছিলো সে. পরে বুঝেছি সুনিতা তার চূড়ান্ত আনন্দ টা তখন পেয়েছিলো.
তার ও দুই মিংট পর আমি আমার চূড়ান্ত সীমায় পৌছে গেলাম. আমি তখন এত কিছু জানতাম না. কন্ডোম কী জিনিস তা জানতাম কিন্তু কী করে কোথায় পাবো. এই সব জানতাম না.
হঠাত এ আমার ভিতরকার গরম বীর্য ভড়িয়ে দিলো সুনিতার যোনি. বের হচ্ছে আর থামছে না. অনেক বেড় হলো. আমি সুখের চূড়ান্ত সীমায় পৌছে গেলাম. ক্লান্ত হয়ে গা এলিয়ে দিলাম সুনিতার উপর. হাপাচ্ছি আর সুনিতা কে জিজ্ঞেস করছি: ভালো লেগেছে?
কোনো জবাব নেই সুনিতার
আমি: ভালো লেগেছে সুনিতা?
সুনিতা: হুঁ.
বের করে নীলাম ডান্ডাটা. সুনিতা কাপড় চোপর হাতে নিয়ে বাথরূমের দিকে ছুটলো. আমি ও আর এক বাথরূমে গেলাম. ধুয়ে মুছে ফ্রেশ হয়ে প্যান্ট পরে বাথরূম থেকে বের হয়ে এলাম. অদ্বুত একটা অনুভুতি হচ্ছে. কেমন যেন একটা রিল্যাক্স ভাব. হালকা ঘুম পেয়ে যাচ্ছে. শরীরটা কেমন যেন ফর ফুরে লাগছে.আবার টীভী রূমে আসে সোফায় বসে খেয়াল করলাম ভিজে আছে. হাত দিয়ে গন্ধ নিতেই বুঝলাম আমার বীরজের গন্ধ. মাথা খারাপ হয়ে গেলো কী করি এখন? সুনিতা কে ডাকলাম না. সোফার গদিটা নিয়ে বাথরূমের দিকে ছুটলাম. হালকা করে জলেতে ধুয়ে নিয়ে আসলাম. তার পর উপরের অংশটা নীচের দিকে করে সাজিয়ে দিলাম.টীভী দেখছি আমি আর ভাবছি কী হলো এই মাত্র. আমি সত্যি একটা মেয়ে কে লাগলাম? আচ্ছা সুনিতা কোথায়? এদিকে আসছে না সুনিতা. আমি রান্না ঘরের দিকে উকি দিলাম. না দেখা যাচ্ছে না. ভয় লাগলো. আস্তে আস্তে রান্না ঘরের দিকে গেলাম. দেখি সুনিতা রান্না ঘরের এক কোণে দাড়িয়ে আছে মাথা নিচু করে.
সুনিতা: কিছু লাগবো আপনার? চা ডীমু?
আমি: না. এমনি দেখলাম
আমি চলে এলাম. টীভী দেখছি আর ওয়েট করছি কখন দিদি আসবে. তার পর আবার সেই ভালো মানুষ সাজবো. পড়তে বসব. যতো যাই কিছু হোক রেজ়াল্ট ভালো করা চাই. পড়তে হবে.
নারী দেহের সাদ আমি পেয়ে গেছি. আমি বুঝে গেছি নারী দেহো অবৈধ সুখের আখড়া. পড়তে বসেছি কিন্তু মাথা থেকে কিছুখন আগে যে সুখের জোয়ার থেকে আমি ভেশে আসলাম তার থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পাড়ছি না. মনে মনে ভাবছি আর একদিন কী সুনিতার সাথে এই রকম করতে পারবো. বা সুনিতা কী দেবে এই রকম করতে? নাকি আজই শেষ. আর সুনিতার কী সত্যি ভালো লেগেছে? ভালো লাগলেই কী সুনিতা বার বার তার সাথে এই অবৈধ লীলা খেলার আমাকে অনুমতি দেবে? এই সব উল্টো পাল্টা ভাবছি. পড়া হচ্ছে না. এই করতে করতে রাতের খাওয়ার সময় হয়ে হেলো. দিদি খেতে ডাকছে. আমি খেতে গেলাম টেবিলে. সুনিতা সব কিছু রেডী করে দিচ্ছে. কিন্তু আমার চোখের দিকে তাকাচ্ছে না. এক রকম ভয় হচ্ছে. যদি দিদি কে বলে দেই. তাহলে তো আমি শেষ. খাওয়া শেষ হলো এই রকম কিছু হলো না. খাওয়া পেটে তেমন ঢুকলও না কোথায় যেন একটা অসস্থি কাজ করছে. কেমন জেনো একটা অস্থিরতা. বুঝতে পারছি না. অনুভুতি গুলো আমার চেনা অনুভুতি নয়. আমার এই রকম আগে কখনো হয় নি.
এই রকম সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে শুতে গেলাম. পরিশ্রাণ্ত ছিলাম. ঘুম এসে গেলো. হঠাত ঘুম ভেঙ্গে গেলো. দেখলাম ঘেমে গেছি. বাথরূম চেপেছে. ওয়াল ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলাম ৩.৩০ বাজে. আমি বাথরূমের দিকে গেলাম ঘুম জড়ানো চোখে. বাথরূম শেরে বের হয়ে আসার সময় রান্না ঘরের দিকে চোখ পড়লো. সুনিতা তার বিছানায় নেই. মাথা ঘুর্ণি দিয়ে উঠলো. কী হলো এটা কোথায় সুনিতা? মাথায় চক্কড় কাটতে লাগলো. আমি ভয়ে ভয়ে এদিক ওদিক দেখছি. ঘুমের রেস পুরো কেটে গেলো. আমি রান্না ঘরের ভিতর ভালো করে উকি দিলাম নহ নেই. তাহলে কী অন্য রূমে শুয়েছে? কিন্তু কেনো? দিদি কী কিছু বুঝতে পেরেছে? নানান চিন্তা মাথায় ঘুর পাক খাচ্ছে.
আমি আবার ভালো করে দেখতে তালাম. টীভী রূমে গেলাম. না এখানেও নেই. হঠাত করে বারান্দায় চোখ গেলো. গিয়ে দেখি বারান্দায় বসে আছে সুনিতা. আমি ভয়ে ভয়ে ফিস ফিস করে জিজ্ঞেস করলাম.
আমি: কী রে সুনিতা ঘুমাস নি?
সুনিতা: না ঘুম আসে না.
আমি: দিদি দেখতে পেলে কিন্তু বোকা দেবে.
সুনিতা: দিদিমণি ঘুমাইতেছে.
আমি: তুইও যা শুয়ে পর সকাল বেলা তো কাজ করতে হবে.
সুনিতা: আপনি চিন্তা কইরেন না আমার কিছু হয় নাই. আমি ঠিক এ সব কাম কইরা ফেলুম.
আমি: শুয়ে পর
সুনিতা: আপনি জান. আমি শুইয়া পড়ুম.
আমি আমার রূম এর ডিকেজাছছ্য. সুনিতা পিছু পিছু রান্না ঘরের দিকে গেলো. আমি বিছানায় গেলাম. লাইট অফ করে দিয়ে রূমের দরজাটা বন্ধ করতে গিয়েও করলাম না. কী মনে করে যেন খোলা রাখলাম. আমার ঘুম আসছে না. বার বার চিন্তা হচ্ছে সুনিতা ঘুমাচ্ছে না কেনো? কী হয়েছে ? কোনো প্রাব্লম হবে নাতো? ভাবছি এই সব. কী জন্য যে এই সব করতে গেলাম? নিজেকে দোশারপ করছি. জল পিপাসাও চাপল. জল খেতে আবার উঠলাম. খাবার টেবিল থেকে জলের গ্লাস হাতে নিয়েছি আবার চোখ পড়লো রান্না ঘরের দিকে. দেখি সুনিতা বসে আছে. শুয়ে পরে নি. আমার আবার চিন্তা শুরু হয়ে গেলো. কী হচ্ছে এসব সুনিতার কী হয়েছে? ঘুমাচ্ছে না কেনো? আমি ভয়ে ভয়ে আবার গেলাম রান্না ঘরের দিকে. এই বার একটু কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম
আমি: সুনিতা কী হয়েছে?
সুনিতা: কই কিছু না তো
আমি: তাহলে ঘুমাচ্ছি না কেনো?
সুনিতা: ঘুম আস্টেসে না.
আমি: তুই তো সারাদিন কাজ করেছিস. ঘুম তো আসার কথা
সুনিতা: আচ্ছা দাদাবাবু. এই সব করলে কিছু হয় না?
আমি: কোন সব?
সুনিতা: মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে বলছে. ” ওই যে আইজ যা করলাম আমি আর আপনি.
আমি: আসলে আমি জানতাম না তখন কী করে কী হয় আমি বললাম ” না কিছু হয় না:
আমি: অত চিন্তা করছিস কেন? কিচ্ছু হবে না
সুনিতা: একটা কথা কোমু?
আমি: বল ?
সুনিতা: আমারে আগে কখনো কেউ এই রকম করে নাই.
আমি: আমিও কারো সাথে আগে এই রকম করিনি
সুনিতা: মিথ্যা কইসেন?
আমি: হ্যাঁ সত্যি
সুনিতা: আপনি ও প্রথম আমিও প্রথম.
আমি: দিদি জেগে যেতে পরে সুনিতা. শুয়ে পর. এই সব কথা পরেও বলা যাবে
সুনিতা: আচ্ছা সুমু তো. দিদিমণি জাগবো না. দিদিমণি র রাইতে ঘুম ভাঙ্গে না. আমি দেখছি খালি আপনিই রাতের বেলা ৩/৪ বার উঠতেন.
আমি: তুই সব দেখতিস?
সুনিতা: হা
আমি: তখন কিছু বলিস নি কেন?
সুনিতা: কী কোমু?
সুনিতার কাছে দাড়িয়ে এসব কথা বলতে বলতে আমি নিজে আবার উত্তেজিতো হয়ে গেছি. আবারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে. আমি মনে মনে একটা ফন্দি আটলাম. আচ্ছা সুনিতার কাছে গিয়ে তাকে একটু জড়িয়ে ধরি. যদি সুনিতার ভাব ভালো দেখি তো আর একবার রিস্ক নিয়ে কাজ শেরে ফেলবো. যদিও দিদি বাড়ি আছে আমি ভয় পাচ্ছি. তবু নারী দেহের লোভের কাছে এই ভয় কিছুই নয়. যেই ভাবা সেই কাজ. আমি সুনিতার আর একটু কাছে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরলাম. এক রকমের মায়াও হলো. গ্রামের সহজ সরল মেয়ে টাকে আমি আমার ইচ্ছা মতো ভালমানুষ্য দেখিয়ে ইউজ় করতে চাইছি. সুনিতাও কাছে ভিরে এলো. লেপটে গেলো আমার সাথে. হঠাত দিদির ঘরের লাইট জ্বলতে দেখলাম. আমি দৌড় দিয়ে সাবধানে শব্দ না করে নিজের ঘরে চলে এলাম.
“কখন ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল নেই. সকাল বেলা ঘুম ভাঙ্গলো দেরি করে. দিদি ডাকছে খাবার জন্য. আমি খাবার টেবিলে গেলাম. খেতে খেতে দিদি জিজ্ঞেস করছে.
দিদি: আজ তো স্কূল ছুটি , তুই কোথাও যাবি?
আমি: কোথায় যাবো? না. তুমি কোথাও যাবে?
দিদি: ছোটো মামার বাড়ি যাবো. তুইও চল
আমি: না তুমি যাও. আমার ভালো লাগছে না. কেমন যেন মাথা জাম হয়ে আছে.
রাতে কম ঘুম হলে এ আমারও এরকম হয়. দিদির চাপা চাপি করলো না. চলে গেলো এক ঘন্টা পর. আবার আমি আর সুনিতা একলা হয়ে পরলাম পুরো বাড়িটাতে. সুযোগ এর পর সুযোগ তৈরি হচ্ছে. কেউ কোনো সন্দেহ করছে না।
ধন্যবাদ।।।।